English

ভোলায় নকল প্রসাধনীতে বাজার জমজমাট !

১০ জুলাই ২০১৭, ০২:৫৩

মিজানুর রহমান,ভোলা >

ভোলার বিভিন্ন বাজার গুলো নকল ও মেয়াদউত্তীর্ন প্রসাধনীতে সয়লাব। বিভিন্ন প্রসাধনীর দোকানের পাশাপাশি এখন মুদি ও ফাস্টফুডের দোকান গুলোতেও পরসা সাজিয়ে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য। নকল ও মেয়াদউত্তীর্ন প্রসাধনী কিনে ক্রেতারা প্রতিদিনই প্রতারিত হচ্ছে। পাশাপাশি এসব ব্যবহারের কারণে মানুষের শরীরে সৃষ্টি হচ্ছে নানা রকমের কঠিন রোগ।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, যেসব পণ্যসামগ্রী ক্রেতাদের কাছে চাহিদা বেশী সেটি হুবুহুব নকল করার কয়েক হাজার কারখানা রয়েছে দেশের বিভিন্ন যাগায়। আর এসব নকল প্রসাধনী তৈরির কারখানাগুলো থেকে নকল প্রসাধনী সরবারহ করে জেলা ও উপজেলার প্রতিটি হাট বাজারে তা পাইকারীও খুচরা বিক্রি করে স্থানীয় পাইকারী ব্যবসায়ীরা।
পাশাপাশি নকল বা মেয়াদউত্তীর্ন পণ্য গুলোর গায়ে থাকা মেয়াদের উপর স্টীকার লাগিয়ে কিংবা ঘষামাজা করে এসব অসাধু পাইকারী ব্যবসায়ীরা ক্রেতা ঠকাচ্ছেন প্রতিনিয়তই। ভোলার চক বাজারের কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী ও শশীভূষণ বাজারের নামকরা বেশ কিছু প্রসাধনীর দোকানের মালিকরাই খোঁদ জড়িত এই ব্যবসার সাথে। দীর্ঘদিন যাবত এ সকলদোকানে প্রকাশ্যে নকল প্রসাধনীর রমরমা ব্যবসা চালিয়ে অসলেও প্রশাসন ও সংশিলিষ্ট কতৃপক্ষের নেই কোন মাথা ব্যথা।
সরেজমিনে দেখা যায়, চরফ্যাশন ও শশীভূষণ বাজারের পশ্চিম গরিতে থাকা কসমেট্রিক্স দোকানগুলোতে পড়সা সাজিয়ে বিক্রি হচ্ছে এসব নকল প্রসাধনী।
একাধীক প্রসাধনী ব্যবসায়ীর সাথে আলপকালে জানা যায়, যেসব প্রসাধনীর বেশী চাহিদা রযেছে সেসব প্রসাধনী পণ্যগুলো বাজারে আসার কয়েক দিনের মধ্যেই তা হুবুহুব নকল করা হয়। বডি স্প্রে, ক্রিম ছাড়াও নকলের তালিকায় রয়েছে ডাব, ইম্পেরিয়াল ব্রান্ডের সাবান ও চুলের কালারসহ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী।
এদিকে এসব নকল প্রসাধনী ব্যবসায়ীদের নকল প্রসাধনী ব্যবসা বন্ধে উপজেলা প্রশাসন ও সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করছে সচেতন ক্রেতারা।

 প্রিন্ট করুন

সর্বাধিক ক্লিক