ঢাকাFriday , 2 January 2026
  1. Home
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আইন বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জনপ্রিয় সংবাদ
  10. জাতীয়
  11. বিনোদন
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাঙামাটির ফুরমোন পাহাড়ে পর্যটক হেনস্তা ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে পিসিসিপির বিক্ষোভ

Kobita afroz
January 2, 2026 6:40 pm
Link Copied!

রাঙামাটির ফুরমোন পাহাড়ে পর্যটকদের মোবাইল ফোন ছিনতাই, শারীরিক হেনস্তা ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে শহর। পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ-এর সন্ত্রাসীদের এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা।
​শহরের কাঁঠালতলী মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে জুমার নামাজের পর একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনরূপা চত্বরে গিয়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।​পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। এছাড়াও সমাবেশে পিসিএনপি, যুব পরিষদ, অটোরিকশা চালক সমিতি এবং ফার্নিচার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন।
​সমাবেশে বক্তারা বলেন, মেঘ ছোঁয়ার নেশায় আসা পর্যটকরা ফুরমোন পাহাড়ে গিয়ে প্রতিনিয়ত ইউপিডিএফ-এর অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হাতে অপদস্থ হচ্ছেন। পর্যটকদের গতিরোধ করে তল্লাশি চালানো, মোবাইল ছিনতাই এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। এমনকি নারী পর্যটকদের সাথে অশোভন আচরণের মতো ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।​ভুক্তভোগী এক পর্যটক সুমন সমাবেশে তার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করে বলেন, ফুরমোন পাহাড় থেকে পুরো রাঙামাটি শহর দেখা যায় বলে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। কিন্তু দিনের আলোয় সেখানে অস্ত্রধারীদের অবাধ বিচরণ পর্যটকদের জন্য চরম নিরাপত্তার হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
​পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন শিল্পকে রক্ষার স্বার্থে বক্তারা প্রশাসনের প্রতি তিনটি প্রধান দাবি জানান:
অবিলম্বে ফুরমোন পাহাড়সহ সকল পর্যটন কেন্দ্রকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে।অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত ও বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করতে হবে।পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে।
​নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা না হয়, তবে পাহাড়ের উদীয়মান পর্যটন খাত অচিরেই ধসে পড়বে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।​সমাবেশে পিসিএনপি’র মোহাম্মদ সোলায়মান, কাজী জালোয়া, যুব পরিষদের মো. নূর হোসেন, অটোরিকশা চালক সমিতির মিজানুর রহমান বাবু, ফার্নিচার ব্যবসায়ী সমিতির আব্দুল শুক্কুর এবং এসোসিয়েশন অব হিল ট্যুরিস্ট গাইডের সভাপতি সোহেল রানাসহ পিসিসিপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।