দেওটি ইউনিয়নজুড়ে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ডাঃ মিজানুর রহমান। তৃণমূল বিএনপি ও সাধারণ জনগণের মধ্যে তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ, প্রত্যাশা ও সমর্থনের জোয়ার। দীর্ঘদিন ধরে মানবিক কর্মকাণ্ড, চিকিৎসা সেবা ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে তিনি যে আস্থা অর্জন করেছেন, তা এখন রাজনৈতিক বাস্তবতায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাঃ মিজানুর রহমান ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি দেওটি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে সোনাইমুড়ী থানা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজের নেতৃত্বগুণের পরিচয় দেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে তার পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, দমন-পীড়ন ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি দলের প্রতি অনুগত থেকে মাঠে সক্রিয় ছিলেন। নেতাকর্মীদের পাশে থাকা, মামলা-হামলার সময় সাহস জোগানো এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত।
ডাঃ মিজানুর রহমান পেশাগত জীবনে একজন চিকিৎসক হওয়ায় মানুষের সেবার সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ওষুধ বিতরণ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ‘মানবিক ডাক্তার’ হিসেবেই পরিচিত। করোনা মহামারির সময়ও তিনি নিজ উদ্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, তরুণ সমাজ ও প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডাঃ মিজানুর রহমানের একটি শক্তিশালী সামাজিক নেটওয়ার্ক রয়েছে। দেশ-বিদেশে থাকা তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা নিয়মিতভাবে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করে থাকেন, যা তার জনপ্রিয়তাকে আরও বিস্তৃত করেছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে ডাঃ মিজানুর রহমানই হতে পারেন আগামী দিনের গ্রহণযোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী। তাদের ভাষায়, “দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি একজন সৎ, দক্ষ ও জনবান্ধব মানুষ হিসেবেই তিনি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।”
এদিকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও তার পক্ষে ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা মনে করেন, ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং জনসেবার মানোন্নয়নে একজন শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রয়োজন, যা ডাঃ মিজানুর রহমানের মধ্যেই বিদ্যমান।
বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখছে। তাদের প্রত্যাশা, নতুন প্রজন্মের চাহিদা অনুযায়ী ডিজিটাল সেবা, কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগ এবং স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তিনি সক্ষম হবেন।
সব মিলিয়ে, তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন, ব্যক্তিগত সততা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা—এই চারটি দিক ডাঃ মিজানুর রহমানকে দেওটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন দেখার বিষয়, দলীয় মনোনয়ন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এই জনপ্রিয়তা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।
যোগাযোগ
01767478968
All rights reserved © 2025