থানা ঘেরাও করে ছাড়িয়ে নিলো আওয়ামী লীগের নেতাকে,
নিজস্ব প্রতিনিধি
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার দুপুরে মুগদা থানায়। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে পুলিশি অভিযানে আটক হয় ৭১ নম্বর ওয়ার্ডের ৪ নম্বর ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন। পরে তাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়। আলমগীর স্থানীয় একটি মারামারি মামলার সন্দেনভাজন আসামি। দেখানো হয়।মামলা তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় পুলিশ তাকে আটক করে।
গোপন সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হোসেনকে আটকের পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এনসিপির মুগদা থানা আহ্বায়ক শাওন চৌধুরী সাথে করে মোটা অংকের ডিল করে, কিছু মধ্যে ঘটনা মোড় নেয়। এনসিপির আহবায়ক শাওন এর নেতৃত্বে ছাত্রলীগে ১৫-২০ জন ও এনসিপি ১০/১৫ জনের দল থানার সামনে জড়ো হন। এই দলে ছিলো— বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুগদা থানা ইউনিটের সমন্বয়ক নাঈম আবেদীন, মো. জাবেদ, মো. সৈকত, মাজহারুল ইসলাম ও ফারাবি জিসানসহ আরও অনেকে। তারা থানার সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। একইসঙ্গে আলমগীরকে ছেড়ে দিতে নানান চাপ সৃষ্টি করে। একইসঙ্গে তারা থানার কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ আটক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘রাজনৈতিক একটি মামলায় তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে এনসিপি ও বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ছাত্রলীগকে সাথে নিয়ে থানায় এসে চাপ সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলোচনার পর আদালতে না পাঠিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
যোগাযোগ
01767478968
All rights reserved © 2025