রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় ভূমি সেবার মানোন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন। গত ১৪ মাস ধরে অত্যন্ত দক্ষতা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে তিনি উপজেলাবাসীর ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সততা ও কর্মদক্ষতার সমন্বয় বিসিএস (প্রশাসন) ৩৮তম ব্যাচের এই চৌকস কর্মকর্তা বালিয়াকান্দিতে যোগদানের পর থেকেই ভূমি অফিসের চিরাচরিত চিত্র বদলে দিতে শুরু করেন। কুষ্টিয়া জেলার সন্তান এহসানুল হক শিপন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে লালমোহনে দায়িত্ব পালন শেষে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি বালিয়াকান্দিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেন।
সেবাগ্রহীতাদের মন্তব্য ও সাফল্য দায়িত্ব পালনের এই সংক্ষিপ্ত সময়ে তিনি আইন প্রয়োগে দৃঢ়তা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের মতে, এসি ল্যান্ডের আন্তরিকতার কারণে এখন ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন অনেক সহজ হয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েচে প্রভাবশালী মহলের হাত থেকে সরকারি খাস জমি পুনরুদ্ধার।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি সম্পদ রক্ষা।
দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি সেবাগ্রহীতাদের সাথে কথা বলে দ্রুত নামজারি ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করা।
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ অফিসের কাজের গতি বাড়াতে এবং হয়রানি রোধে তিনি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোর নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সরকারি পদ শুধু দায়িত্ব নয়, বরং মানুষের সেবা ও বিশ্বাসের জায়গা।
"বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রশাসনের এই কর্মকর্তা প্রমাণ করেছেন যে, সদিচ্ছা থাকলে সরকারি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।"
উপজেলার সাধারণ মানুষ আশা করছেন, এহসানুল হক শিপনের মতো সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তাদের মাধ্যমেই দেশের প্রশাসনিক সেবা আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল হবে।
যোগাযোগ
01767478968
All rights reserved © 2025