শীতের প্রভাব শেষে হতে চলছে।আর এর মাঝে মশার উপদ্রব শুরু হয়ে গেছে। ফাল্গুনের হাওয়া টানে বাড়ির, নদীনালা, ডোবা বা বিভিন্ন নোংরা জায়গায় পরিবর্তন হওয়ার কারণে,মশার বিস্তার ঘটছে। দিনের বেলায় যেমন, রাতের আঁধারে সাথে মশা যেন মৌমাছির ঝাঁকের মত ধরে বসে। এই মশার কারণে ছাত্র ছাত্রীরা ঠিক মত লেখা পড়া করতে পারছে না, তেমন মুসলিরা ঠিক মত নামাজ আদায় করতে পারছে না। মানিকগঞ্জ জেলার অনেক গ্রাম গুলো ঘুরে দেখা গেছে বাড়ির ডোবা নালা ইত্যাদি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হতে চলছে আর এখানে থাকা মশার বংশ বিস্তার ঘরের ভেতর প্রবেশ করছে। তাই সন্ধান নামার শুরুতে সবাই ঘরের জানালা, দরজা বন্ধ করছে। কেউ কেউ মশারী টাঙ্গিয়ে বসে আছে। কাল প্রথম তারাবির নামাজের সময় অনেক মসজিদের ভেতর মশার কয়েল জ্বেলতে দেখা গেছে। এখনো গরমের সময় আসেনি তাই যেমন মশার উপদ্রব শুরু হয়েছে, তাতে সামনে বৃষ্টির সময় কি পরিস্থিতি হতে পারে। আগে থেকে মশা নিধণ না করলে ভবিষ্যৎ ডেঙ্গু ও মেলেরিয়া মত খারাপ অবস্থা পৌঁছাতে পারে।

