নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি কাটার ঘটনা নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র নানা কৌশলে ফসলি জমি, খাল-বিল ও সরকারি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করে আসছে। তবে সম্প্রতি এ চক্রকে ঘিরে আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে—একজন কথিত সাংবাদিক নাকি এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে সরাসরি মদদ দিয়ে আসছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে অবৈধ মাটি কাটার সিন্ডিকেটকে রক্ষা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে অভিযান ঠেকানোর চেষ্টা করেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ না করার বিনিময়ে সুবিধা গ্রহণ করেন।
এতে করে শুধু পরিবেশই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, বরং সাধারণ মানুষও পড়ছে নানা সমস্যায়। ফসলি জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, রাস্তা ভেঙে পড়ছে, সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। অথচ এসবের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই অনেকেই ভয় পান—কারণ প্রভাবশালী এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রভাবশালী মহল।
সচেতন মহল বলছে, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। যেখানে সত্য তুলে ধরা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াই মূল কাজ। সেখানে যদি কেউ নিজের পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধকে আড়াল করে, তাহলে তা শুধু অনৈতিকই নয়, সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি।
এ বিষয়ে সাধারণ জনগণের প্রশ্ন—কেন একটি অবৈধ চক্রকে মদদ দেওয়া হচ্ছে? কার স্বার্থে চলছে এই দালালি? এবং এর পেছনে আর কারা জড়িত?
স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তারা চান, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
যোগাযোগ
01767478968
All rights reserved © 2025