ঢাকাMonday , 23 February 2026
  1. Home
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আইন বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জনপ্রিয় সংবাদ
  10. জাতীয়
  11. বিনোদন
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাজারীবাগ থানায় আলোচিত মামলার ১ নং বিবাদী আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি: তদন্তে নতুন তথ্য!

Link Copied!

হাজারীবাগ থানায় আলোচিত মামলার ১ নং বিবাদী আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি: তদন্তে নতুন তথ্য!

হাজারীবাগ থানায় আলোচিত মামলার ১ নং বিবাদী আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি: তদন্তে নতুন তথ্য!

হাজারীবাগ থানায় আলোচিত মামলার ১ নং বিবাদী আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি: তদন্তে নতুন তথ্য!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

হাজারীবাগ মামলায় নতুন মোড়: ১ নং বিবাদী আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়নি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার তদন্তকারী টিম:চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল।

 

হাজারীবাগ থানার আলোচিত মামলায় ১ নং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত -এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে সরেজমিন অনুসন্ধানভিত্তিক তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে, ব্যক্তিগত আক্রোশ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে মামলায় জড়ানো হয়ে থাকতে পারে।

 

উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম:

তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, আল-আমিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে যুক্ত। বিদেশি বিশেষ করে চীনা ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে বৈদেশিক আয়ে অবদান রাখার তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্তে আরও জানা যায়, আওতায় তার নামে রপ্তানি লাইসেন্সধারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পাশাপাশি নিজ জেলায় পৃথক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার তথ্যও পাওয়া গেছে।

 

এছাড়া তিনি ব্যবসায় প্রশাসনে (হিসাববিজ্ঞান) এমবিএ সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় দায়িত্বশীল সম্পাদকীয় পদে কর্মরত আছেন বলে তদন্তে উল্লেখ রয়েছে।

 

বাদীর সাথে পূর্ব পেশাগত দ্বন্দ্বের অভিযোগ:

তদন্তে উঠে এসেছে, মামলার বাদী পূর্বে একই গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সিটি রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে দুর্নীতির অভিযোগে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছিল বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে (যাচাই সাপেক্ষ)।তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রেক্ষাপটে মামলাটি ব্যক্তিগত আক্রোশের ফল হতে পারে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের অভিযোগ:

তদন্তে অভিযোগ পাওয়া গেছে, ১ নং বিবাদী ও তার পরিবারের ছবি অনুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার করে মানহানিকর, বিভ্রান্তিকর

অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, -অন্য কাজের এক ভুক্তভোগীর নাম ঠিক রেখে, দুদকে দায়ের করা অভিযোগে প্রকৃত ভুক্তভোগীর ফোন নম্বরের পরিবর্তে ১ নং বিবাদীর স্ত্রীর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেছে বাদী শাফায়াত তদন্ত সূত্রে জানা গেছে।

 

তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন:

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বাদীর উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এতে ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।পূর্বেও মানববন্ধন করে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি।এবার কঠোরভাবে আন্দোলন করা হবে বলে অনেকে জানান।

 

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, যথাযথ তদন্ত ছাড়া কাউকে গুরুতর মামলায় জড়ানো হলে তা একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তাই বিষয়টি পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

উপস্থাপিত তথ্য, সাক্ষ্য, স্থানীয় সূত্র এবং অনুসন্ধানভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয় যে—

মামলাটি ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল ও প্রতিশোধমূলক উদ্দেশ্যে দায়ের হয়ে থাকতে পারে—এমন অভিযোগ রয়েছে

১ নং বিবাদীর বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

বিষয়টি নিরপেক্ষ, পূর্ণাঙ্গ ও বৈজ্ঞানিক তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন

হাজারীবাগ থানায় আলোচিত মামলার ১ নং বিবাদী আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি: তদন্তে নতুন তথ্য!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
হাজারীবাগ মামলায় নতুন মোড়: ১ নং বিবাদী আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়নি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার তদন্তকারী টিম:চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল।

হাজারীবাগ থানার আলোচিত মামলায় ১ নং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত -এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে সরেজমিন অনুসন্ধানভিত্তিক তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে, ব্যক্তিগত আক্রোশ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে মামলায় জড়ানো হয়ে থাকতে পারে।

উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম:
তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, আল-আমিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে যুক্ত। বিদেশি বিশেষ করে চীনা ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে বৈদেশিক আয়ে অবদান রাখার তথ্য পাওয়া গেছে।
তদন্তে আরও জানা যায়, আওতায় তার নামে রপ্তানি লাইসেন্সধারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পাশাপাশি নিজ জেলায় পৃথক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার তথ্যও পাওয়া গেছে।

এছাড়া তিনি ব্যবসায় প্রশাসনে (হিসাববিজ্ঞান) এমবিএ সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় দায়িত্বশীল সম্পাদকীয় পদে কর্মরত আছেন বলে তদন্তে উল্লেখ রয়েছে।

বাদীর সাথে পূর্ব পেশাগত দ্বন্দ্বের অভিযোগ:
তদন্তে উঠে এসেছে, মামলার বাদী পূর্বে একই গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সিটি রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে দুর্নীতির অভিযোগে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছিল বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে (যাচাই সাপেক্ষ)।তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রেক্ষাপটে মামলাটি ব্যক্তিগত আক্রোশের ফল হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের অভিযোগ:
তদন্তে অভিযোগ পাওয়া গেছে, ১ নং বিবাদী ও তার পরিবারের ছবি অনুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার করে মানহানিকর, বিভ্রান্তিকর
অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, -অন্য কাজের এক ভুক্তভোগীর নাম ঠিক রেখে, দুদকে দায়ের করা অভিযোগে প্রকৃত ভুক্তভোগীর ফোন নম্বরের পরিবর্তে ১ নং বিবাদীর স্ত্রীর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেছে বাদী শাফায়াত তদন্ত সূত্রে জানা গেছে।

তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন:
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বাদীর উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এতে ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।পূর্বেও মানববন্ধন করে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি।এবার কঠোরভাবে আন্দোলন করা হবে বলে অনেকে জানান।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, যথাযথ তদন্ত ছাড়া কাউকে গুরুতর মামলায় জড়ানো হলে তা একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তাই বিষয়টি পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

উপস্থাপিত তথ্য, সাক্ষ্য, স্থানীয় সূত্র এবং অনুসন্ধানভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয় যে—
মামলাটি ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল ও প্রতিশোধমূলক উদ্দেশ্যে দায়ের হয়ে থাকতে পারে—এমন অভিযোগ রয়েছে
১ নং বিবাদীর বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
বিষয়টি নিরপেক্ষ, পূর্ণাঙ্গ ও বৈজ্ঞানিক তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন

আইন বিচার সর্বশেষ