কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) নোয়াখালী জেলার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
নোয়াখালী প্রতিদিন
নোয়াখালী, ২২ আগস্ট ২০২৫ (শুক্রবার):
ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা, ন্যায্য বাজার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং সচেতন নাগরিক সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে নোয়াখালীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)-এর জেলা পর্যায়ের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা। শুক্রবার বিকাল ৪টায় জেলা আইনজীবী সমিতির হল রুমে আয়োজিত এই সভায় জেলার ৯টি উপজেলা থেকে প্রায় দেড় শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।
এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন মুন্না। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সিসিএস লক্ষ্মীপুর জেলার কো-অর্ডিনেটর আবুল হাসান সোহেল। আর সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী জেলা কো-অর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক (খালেদ)।
সভায় অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে ভোক্তাদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন শুধু কোনো সংগঠন বা নির্দিষ্ট একটি শ্রেণির দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি জাতীয় দায়িত্ব। দেশব্যাপী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, ভেজাল খাদ্য, ভোক্তা প্রতারণা এবং মানহীন পণ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য সচেতন ভোক্তা সমাজ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন মুন্না বলেন—
> “আমরা যদি নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন না হই, তাহলে কেউ আমাদের অধিকার রক্ষা করবে না। সিসিএস-এর প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবক হলো ভোক্তাদের অধিকার রক্ষার সৈনিক। নোয়াখালী থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি জেলায় আমাদের এই সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে।”
বিশেষ অতিথি আবুল হাসান সোহেল বলেন—
> “লক্ষ্মীপুরে আমরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় সচেতনতা কার্যক্রম চালাচ্ছি। নোয়াখালীর মতো জেলায় যদি স্বেচ্ছাসেবকরা একসাথে কাজ করেন, তাহলে ভোক্তাদের জন্য একটি ন্যায্য বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক (খালেদ) বলেন—
> “আমাদের লক্ষ্য শুধু ভোক্তার অধিকার রক্ষা নয়, বরং একটি জবাবদিহিমূলক সমাজ তৈরি করা। যেখানে কোনো ব্যবসায়ী অন্যায়ভাবে দাম বাড়াতে বা মানহীন পণ্য বিক্রি করতে পারবে না। নোয়াখালী জেলার প্রতিটি উপজেলায় আমরা শক্তিশালী টিম গড়ে তুলব।”
সভায় আলোচিত মূল বিষয়সমূহ
সভায় স্বেচ্ছাসেবকরা ভোক্তা অধিকার রক্ষায় বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় উঠে আসে—
1. পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ভোক্তাদের ভূমিকা
স্থানীয় বাজারগুলোতে অনেক সময় অযৌক্তিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ানো হয়। এ ব্যাপারে ভোক্তাদের সংগঠিত ভূমিকা রাখার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
2. ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান
বাজারে প্রচুর ভেজাল পণ্য বিক্রি হচ্ছে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ বিষয়ে ভোক্তাদের সচেতন করে তুলতে ক্যাম্পেইন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
3. ভোক্তা অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
দেশের বিদ্যমান ভোক্তা অধিকার আইন নিয়ে অনেকেই অবগত নন। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সচেতনতা সেমিনার আয়োজন করা হবে।
4. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রচারণা
বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সহজেই সচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। এজন্য ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ক্যাম্পেইন চালানোর প্রস্তাব রাখা হয়।
5. ভোক্তাদের অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধানের উদ্যোগ
সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার জন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে হেল্পলাইন চালু করার প্রস্তাব উঠে আসে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সভায় আগামী এক বছরের জন্য বেশ কিছু কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করা।
প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন ভোক্তা অধিকার সেল গঠন।
মাসে অন্তত একটি করে সচেতনতা সভা আয়োজন।
বাজার মনিটরিং টিম গঠন করে নিয়মিত তদারকি। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
জেলার প্রতিটি গ্রামে ভোক্তাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করা।
স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণ
সভায় অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবকরা বলেন, ভোক্তা অধিকার রক্ষায় তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করতে প্রস্তুত। একজন স্বেচ্ছাসেবক বলেন—
> “আমরা নোয়াখালীর প্রতিটি বাজারে নজরদারি চালাব। যেখানে ভেজাল, প্রতারণা বা অতিরিক্ত দাম নেওয়া হবে, আমরা প্রতিবাদ করব এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করব।”
> “বর্তমান সময়ে যুব সমাজ যদি সামনে এগিয়ে না আসে, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি ভোগান্তিপূর্ণ সমাজে বসবাস করবে। তাই আমাদের এখন থেকেই সচেতন হতে হবে।”
বাংলাদেশে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষার জন্য আইন থাকলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনেক সময় দুর্বল হয়ে পড়ে। এ কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছে। বাজারে ভেজাল খাবার, নকল ওষুধ, নিম্নমানের দ্রব্য, অতিরিক্ত দাম, সেবাখাতে অনিয়ম ইত্যাদি কারণে ভোক্তাদের জীবনমান ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু সরকারের তদারকি নয়, বরং জনগণের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষ যদি তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয় এবং সংগঠিত হয়ে দাবি তোলে, তবে ব্যবসায়ীরা আর ইচ্ছেমতো প্রতারণা করতে পারবে না।
সিসিএস নোয়াখালী জেলা শাখার এই সভা ভোক্তা আন্দোলনের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দিনশেষে সভার সকল বক্তা ও উপস্থিত স্বেচ্ছাসেবকরা ভোক্তা অধিকার রক্ষার আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেন। তারা বলেন, একটি সচেতন, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায্য সমাজ গড়তে হলে ভোক্তা অধিকার আন্দোলনকে মাঠপর্যায়ে আরও সম্প্রসারণ করতে হবে।
সভার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, নোয়াখালী জেলার স্বেচ্ছাসেবকরা ভোক্তা অধিকার রক্ষার জন্য একতাবদ্ধ এবং তারা ভবিষ্যতে জেলার প্রতিটি উপজেলা,ইউনিয়ন,গ্রামে গিয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা ছড়িয়ে দেবেন। নোয়াখালীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)-এর জেলা পর্যায়ের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা। শুক্রবার বিকাল ৪টায় জেলা আইনজীবী সমিতির হল রুমে আয়োজিত এই সভায় জেলার ৯টি উপজেলা থেকে প্রায় দেড় শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।
এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন মুন্না। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সিসিএস লক্ষ্মীপুর জেলার কো-অর্ডিনেটর আবুল হাসান সোহেল। আর সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী জেলা কো-অর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক (খালেদ)।
সভায় অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে ভোক্তাদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন শুধু কোনো সংগঠন বা নির্দিষ্ট একটি শ্রেণির দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি জাতীয় দায়িত্ব। দেশব্যাপী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, ভেজাল খাদ্য, ভোক্তা প্রতারণা এবং মানহীন পণ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য সচেতন ভোক্তা সমাজ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন মুন্না বলেন—
> “আমরা যদি নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন না হই, তাহলে কেউ আমাদের অধিকার রক্ষা করবে না। সিসিএস-এর প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবক হলো ভোক্তাদের অধিকার রক্ষার সৈনিক। নোয়াখালী থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি জেলায় আমাদের এই সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে।”
বিশেষ অতিথি আবুল হাসান সোহেল বলেন—
> “লক্ষ্মীপুরে আমরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় সচেতনতা কার্যক্রম চালাচ্ছি। নোয়াখালীর মতো জেলায় যদি স্বেচ্ছাসেবকরা একসাথে কাজ করেন, তাহলে ভোক্তাদের জন্য একটি ন্যায্য বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক (খালেদ) বলেন—
> “আমাদের লক্ষ্য শুধু ভোক্তার অধিকার রক্ষা নয়, বরং একটি জবাবদিহিমূলক সমাজ তৈরি করা। যেখানে কোনো ব্যবসায়ী অন্যায়ভাবে দাম বাড়াতে বা মানহীন পণ্য বিক্রি করতে পারবে না। নোয়াখালী জেলার প্রতিটি উপজেলায় আমরা শক্তিশালী টিম গড়ে তুলব।”
সভায় আলোচিত মূল বিষয়সমূহ
সভায় স্বেচ্ছাসেবকরা ভোক্তা অধিকার রক্ষায় বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় উঠে আসে—
1. পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ভোক্তাদের ভূমিকা
স্থানীয় বাজারগুলোতে অনেক সময় অযৌক্তিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ানো হয়। এ ব্যাপারে ভোক্তাদের সংগঠিত ভূমিকা রাখার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
2. ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান
বাজারে প্রচুর ভেজাল পণ্য বিক্রি হচ্ছে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ বিষয়ে ভোক্তাদের সচেতন করে তুলতে ক্যাম্পেইন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
3. ভোক্তা অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
দেশের বিদ্যমান ভোক্তা অধিকার আইন নিয়ে অনেকেই অবগত নন। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সচেতনতা সেমিনার আয়োজন করা হবে।
4. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রচারণা
বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সহজেই সচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। এজন্য ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ক্যাম্পেইন চালানোর প্রস্তাব রাখা হয়।
5. ভোক্তাদের অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধানের উদ্যোগ
সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার জন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে হেল্পলাইন চালু করার প্রস্তাব উঠে আসে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সভায় আগামী এক বছরের জন্য বেশ কিছু কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করা।
প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন ভোক্তা অধিকার সেল গঠন।
মাসে অন্তত একটি করে সচেতনতা সভা আয়োজন।
বাজার মনিটরিং টিম গঠন করে নিয়মিত তদারকি। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
জেলার প্রতিটি গ্রামে ভোক্তাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করা।
স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণ
সভায় অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবকরা বলেন, ভোক্তা অধিকার রক্ষায় তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করতে প্রস্তুত। একজন স্বেচ্ছাসেবক বলেন—
> “আমরা নোয়াখালীর প্রতিটি বাজারে নজরদারি চালাব। যেখানে ভেজাল, প্রতারণা বা অতিরিক্ত দাম নেওয়া হবে, আমরা প্রতিবাদ করব এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করব।”
> “বর্তমান সময়ে যুব সমাজ যদি সামনে এগিয়ে না আসে, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি ভোগান্তিপূর্ণ সমাজে বসবাস করবে। তাই আমাদের এখন থেকেই সচেতন হতে হবে।”
বাংলাদেশে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষার জন্য আইন থাকলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনেক সময় দুর্বল হয়ে পড়ে। এ কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছে। বাজারে ভেজাল খাবার, নকল ওষুধ, নিম্নমানের দ্রব্য, অতিরিক্ত দাম, সেবাখাতে অনিয়ম ইত্যাদি কারণে ভোক্তাদের জীবনমান ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু সরকারের তদারকি নয়, বরং জনগণের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষ যদি তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয় এবং সংগঠিত হয়ে দাবি তোলে, তবে ব্যবসায়ীরা আর ইচ্ছেমতো প্রতারণা করতে পারবে না।
সিসিএস নোয়াখালী জেলা শাখার এই সভা ভোক্তা আন্দোলনের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দিনশেষে সভার সকল বক্তা ও উপস্থিত স্বেচ্ছাসেবকরা ভোক্তা অধিকার রক্ষার আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেন। তারা বলেন, একটি সচেতন, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায্য সমাজ গড়তে হলে ভোক্তা অধিকার আন্দোলনকে মাঠপর্যায়ে আরও সম্প্রসারণ করতে হবে।
সভার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, নোয়াখালী জেলার স্বেচ্ছাসেবকরা ভোক্তা অধিকার রক্ষার জন্য একতাবদ্ধ এবং তারা ভবিষ্যতে জেলার প্রতিটি উপজেলা,ইউনিয়ন,গ্রামে গিয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা ছড়িয়ে দেবেন।

