• ২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার অধীনে যথাসময়েই নির্বাচন হবে : হাসানুল হক ইনু

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত অক্টোবর ২৮, ২০২৩, ০১:০০ পূর্বাহ্ণ
শেখ হাসিনার অধীনে যথাসময়েই নির্বাচন হবে : হাসানুল হক ইনু

তাদের নির্বাচনে আনার কোনো প্রচেষ্টা কি আপনাদের রয়েছে?

 

 

হাসানুল হক ইনু: সংবিধানের ধারা রক্ষা করার জন্য সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন হবে। কাউকে নির্বাচনে আনার জন্য কারও মাথাব্যথা নেই, এটা কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়াও নয়। নির্বাচনে কতজন এলো বা কতজন মানুষ উপস্থিত হলো, সেটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতার মাপকাঠি নয়। সুতরাং এটা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। বরং যথাসময়ে ভোট করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা উচিত। মানুষ যাতে নির্বাচন কেন্দ্রে ভোট দিতে আসে সেই পরিস্থিতি তৈরি করার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

 

 

গণমাধ্যম: আগামী নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা বিশ্বের অবস্থানকে কীভাবে দেখছেন?

 

 

হাসানুল হক ইনু: যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কথা বলছে। তারা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভিসা নীতি আরোপ করেছে। আমি বলব, এসব স্যাংশন দিয়ে কোনো দিন গণতন্ত্র উদ্ধার হয়নি, এসব করে কোনো দেশে গণতন্ত্রের রক্ষাও হয়নি। তারা এগুলো করছে তাদের ভূরাজনৈতিক স্বার্থের লক্ষ্যে। বাংলাদেশের জন্য তাদের একটি মাপকাঠি অন্য দেশের জন্য আরেকটি মাপকাঠি। সুতরাং তাদের কোনো স্ট্যান্ডার্ড মাপকাঠি নেই। তাই আমি মনে করি, এটা নিয়ে যতটা হৈ-হল্লা হচ্ছে, সেটার কোনো দরকার নেই।

 

 

গণমাধ্যম: আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না হলে বাংলাদেশ কি বড় ধরনের চাপে পড়বে না?

 

 

হাসানুল হক ইনু: আমি মনে করি না বাংলাদেশ কোনো চাপে পড়বে। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন যে পর্যায়ে রয়েছে, তাতে আমরা নিজেদের মতো করে এগিয়ে যেতে পারব। বাংলাদেশে ভোট হয়ে যাবে, বন্ধুরাষ্ট্র বন্ধু হিসেবেই অবস্থান করবে এবং পৃথিবী সহাবস্থান করবে। সুতরাং পশ্চিমা চাপ নিয়ে আমি মাথা ঘামাচ্ছি না। বাংলাদেশ তেমন কোনো চাপে পড়বে বলে আমি মনে করছি না।

 

 

গণমাধ্যম: প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের একদফা দাবিতে আন্দোলন করছে বিরোধী দল। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পরেই তারা নির্বাচনে যাবে বলে ঘোষণা করেছে। এ ব্যাপারে আপনি কী বলবেন?

 

 

হাসানুল হক ইনু: বিএনপির এ দাবি সাংবিধানিক ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সুতরাং এ দাবিকে আমি সমর্থন করতে পারি না। বিএনপিকে নির্বাচনেই আসতে হবে। আর নির্বাচনে না এলে তাদের ভাগ্য তারা বরণ করবে। এখানে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে।

 

 

গণমাধ্যম:: যখন ১৪ দল গঠন করেছিলেন তখন আপনাদের সামনে কিছু আদর্শ ছিল। গত ১৫ বছরে সেগুলোর কতটা অগ্রগতি হয়েছে?

 

 

হাসানুল হক ইনু: ১৪ দলের রাজনৈতিক লক্ষ্য ছিল সাম্প্রদায়িকতামুক্ত এবং রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করা। আমরা সেই ধারা আংশিক অর্জন করেছি, কিছু বাকি রয়ে গেছে। আমরা রূপান্তরের পর্যায়ে রয়েছি, আমরা উত্তরণের পর্যায়ে রয়েছি। এই উত্তরণ পর্যায়ের মধ্য থেকেই আমরা আগামী নির্বাচনে যাচ্ছি। সুতরাং ১৪ দল বহাল থাকবে এবং বাকি লড়াইটা আমরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সম্পন্ন করব।

 

 

শ্রুতলিখন : মুজাহিদুল ইসলাম