ঢাকাTuesday , 13 January 2026
  1. Home
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আইন বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জনপ্রিয় সংবাদ
  10. জাতীয়
  11. বিনোদন
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিবাহবিচ্ছেদে মেলিন্ডাকে ৮ বিলিয়ন ডলার দিতে হলো বিল গেটসের

Kobita afroz
January 13, 2026 4:22 pm
Link Copied!

মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও তার সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটসের শতকোটি ডলারের বিবাহবিচ্ছেদের পর তাদের সম্পদ ও দাতব্য কর্মকাণ্ড কীভাবে ভাগ হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু নতুন তথ্য সামনে এসেছে। ২০২৪ সালে সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটসকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার প্রদান করেছেন বিল গেটস । এটি সেই ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি অংশ, যা নারী ও পরিবারের কল্যাণে কাজ করার জন্য মেলিন্ডাকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন। জানা যায়, এই অর্থ মেলিন্ডার ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত পিভোটাল ফিলানথ্রোপিস ফাউন্ডেশনে দেওয়া হয়েছে।

ফাউন্ডেশনের একজন মুখপাত্র জানান, মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগ করার সময় বিল ও মেলিন্ডা এই অনুদান দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন। অর্থাৎ, পূর্ববর্তী চুক্তির অংশ হিসেবে এই তহবিল প্রদান করা হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার অনুদানটি নতুন ট্যাক্স রেকর্ডের মাধ্যমে প্রথমবার প্রকাশিত হয়েছে। পিভোটাল মুখপাত্র জানিয়েছেন, বাকি অর্থও ২০২৫ বা ২০২৬ সালে দেওয়া হয়েছে এবং চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে পূরণ হয়েছে।

বিল ও মেলিন্ডা ২০২১ সালের মে মাসে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। তাদের ৩০ বছরের দাম্পত্য জীবনের মধ্যে যৌথভাবে গেটস ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাদের দুই কন্যা ও এক পুত্র রয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের তিন বছর পর মেলিন্ডা ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগ করেন। মেলিন্ডা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘গেটস ফাউন্ডেশন যে অসাধারণ কাজ করছে, তার জন্য আমি অত্যন্ত গর্বিত। এই সম্পদ ব্যবহার করে আমি আমার দাতব্য কর্মকাণ্ডে আরও মনোযোগ দিতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বের নারী ও কন্যাশিশুদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। সমতা রক্ষা ও এগিয়ে নেওয়ার লড়াইয়ে যারা যুক্ত, তাদের সহায়তা দেওয়া এখন জরুরি।’

এপ্রিল ২০২৫-এ প্রকাশিত তার স্মৃতিকথা দ্য নেক্সট ডে-তে মেলিন্ডা লিখেছেন, গেটস ফাউন্ডেশন ছাড়ার সিদ্ধান্ত তার জীবনের অন্যতম গঠনমূলক মুহূর্ত ছিল। তিনি মনে করেন, নিজের সম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকা তার দাতব্য কর্মকাণ্ডকে আরও কার্যকর করে তুলবে।