ঢাকাSunday , 3 May 2026
  1. Home
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আইন বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জনপ্রিয় সংবাদ
  10. জাতীয়
  11. বিনোদন
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চৌদ্দগ্রামে জোরপূর্বক বসতভিটা দখল ও প্রাণনাশের হুমকি

Kobita afroz
May 3, 2026 7:30 pm
Link Copied!

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বসতভিটা দখল, প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিবে মর্মে হয়রানীর অভিযোগ করেছে আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তি। তিনি উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়নের বালুধুম গ্রামের বাসিন্দা। বিবাদীরা একই বাড়ির আবদুল খালেকের ছেলে আবুল হাশেম, মৃত চারু মিয়ার ছেলে হারুন মিয়া, লিটন মিয়া ও আবদুল খালেকের মেয়ে আয়েশা আক্তার।

অভিযোগে আবুল কাশেম উল্লেখ করা হয়, আবুল কাশেম ও তাঁর ছেলে গত ২৫ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটায় কলাবাগান বাজারে যায়। আবুল হাশেম গং তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে সেখানে ঘুরাফেরা করছে বুঝতে পেরে থানায় অবগত করেন। থানা থেকে তাদের কাছে খবর চলে যাওয়ায় ক্ষীপ্ত হয়ে ৫০-৬০ জন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে পিতা-পুত্রকে মারার জন্য অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পিতা-পুত্রকে উদ্ধার শেষে রাত সাড়ে এগারটায় বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরদিন থানা গিয়ে দেখা যায়, ২০-৩০জন লোক থানা এলাকায় ঘুরাঘুরি করছে। রাতে আবুল কাশেমের ছেলে নিরাপত্তার জন্য বাড়িতে না থেকে ঢাকা চলে যায়। বর্তমানে তাদের পরিবার প্রাণভয়ে অনিরাপত্তায় ভুগছে। এরমধ্যে লিটন এলাকায় থানার সোর্স পরিচয় দিয়ে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জায়গাটির বিষয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর স্থানীয় সামাজিক ব্যাক্তিবর্গ, সাবেক ও বর্তমান মেম্বার, কয়েকটি গ্রামের শালিশদারগণ রায় দিয়ে যায়। ওই সময় রায় মেনেও নিয়েছে উভয় পক্ষ। রায়ের সকল কাগজ পত্র আছে আবুল কাশেমের নিকট। কিছুদিন পর আবার রায় মানতে নারাজ আবুল হাশেম। এরই মধ্যে জায়গাটির রেকর্ড সংশোধনের মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। মামলার বাদি আবুল হাশেম একক মালিকানা চেয়ে মামলা(নং-৫১/১৯) করেন। এর বিপরীতে আবুল কাশেম বাদি হয়ে পরিবারের সকলের মালিকানা চেয়ে আরেকটি মামলা(নং-৬৮/২১) করে। স্থানীয় শালিশদারগণ বলেছেন, মামলা মিমাংসা হলে বসে পুনরায় বাটোয়ারা করে দিবে। কিন্তু আবুল হাশেম গং মামলা রায়ের অপেক্ষা মানতে নারাজ। তাছাড়া আবুল কাশেমের সীমানায় তাদের জায়গাও নেই। এছাড়া থানার সোর্স পরিচয় দেয়া লিটন ও তার ভাই হারুন আবুল হাশেমদের পক্ষ থেকে হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন অনেকে।

অভিযোগের বিষয়ে আবুল হাশেম বলেন, পুলিশ অভিযোগের তদন্ত করেছে। বিষয়টি সামাজিকভাবে মিমাংশার জন্য চেষ্টা চলছে।

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক নুরুন নবী বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সামাজিকভাবে বসে বিষয়টি মিমাংশা করার জন্য উভয় পক্ষকে বলা হয়েছে।