ঢাকারবিবার , 8 ফেব্রুয়ারি 2026
  1. Home
  2. অন্যান্য
  3. অপরাধ
  4. অপহরণ
  5. অর্থনীতি
  6. আইন বিচার
  7. আন্তর্জাতিক
  8. উৎসব
  9. ক্যাম্পাস
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. গ্রেপ্তার
  13. জনপ্রিয় সংবাদ
  14. জাতীয়
  15. দুর্ঘটনা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চলমান সহিংসতায় নিহতদের স্মরণ

Kobita afroz
ফেব্রুয়ারি 8, 2026 9:41 অপরাহ্ন
Link Copied!

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ তীব্র শীত উপেক্ষা করে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে জুইশ সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো একটি আন্তধর্মীয় স্মরণসভা ও ভিজিল। বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু—বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর চলমান সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,রোববার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই ভিজিলটিছিল যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ২০টিরও বেশি শহরে অনুষ্ঠিত ধারাবাহিক সচেতনতা কর্মসূচির অংশ। কোহনা ও হিন্দু অ্যাকশন-এর আয়োজক ছিল।
স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন হিন্দু অ্যাকশনের উপদেষ্টা ও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট শুভ রায় এবং পঙ্কজ মেহেতা। মূলত টাইমস স্কয়ারে উন্মুক্ত ভিজিল আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও তীব্র শীত ও আবহাওয়ার কারণে অনুষ্ঠানটি জ্যাকসন হাইটসে স্থানান্তর করা হয়। তা সত্ত্বেও বিভিন্ন ধর্ম ও কমিউনিটির মানুষের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে হিন্দু, মুসলিম, ইহুদি, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। বিশ্ব শান্তি সংস্থা HWPL-এর প্রতিনিধি আন্দ্রে ফাদেল মানব মর্যাদা রক্ষায় আন্তধর্মীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ইসকন নিউইয়র্কের সভাপতি হংস রূপ দাস করুণা ও ন্যায়বোধের ওপর গুরুত্ব দেন। মুসলিম নেত্রী সুরায়া দীন ধর্মের নামে সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানান।খবর আইবিএননিউজ ।
জৈন সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে চারুল কোঠারির পাঠ করা বার্তায় অহিংসা ও পারস্পরিক সম্মানের দর্শন তুলে ধরা হয়। শিখ নেতা কমল পুরি ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর শিখ ঐতিহ্যের কথা বলেন।
নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির সদস্য জেনিফার রাজকুমার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সংখ্যালঘু নির্যাতনের নিন্দা জানান এবং বিষয়টি তাঁর আইনসভা ও জনপরিসরে তুলে ধরার অঙ্গীকার করেন। তিনি একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই আয়োজনে আন্তঃকমিউনিটি সংগঠক পঙ্কজ মেহতার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিল। ভারতীয় ডায়াস্পোরার পক্ষ থেকে সহযোগিতা করেন সত্য সেনাপতি।
অনুষ্ঠানের কেন্দ্রীয় অংশে নিহতদের নাম পাঠ করা হয়, প্রতিটি নামের সঙ্গে প্রদীপ ও মোমবাতি প্রজ্বালন এবং নীরবতা পালন করা হয়। পংকজ মেহতা বলেন, “এই ভিজিল শুধু স্মরণ নয়। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ক্যাপিটল হিলে কংগ্রেশনাল ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে আমরা এই বিষয়গুলো সরাসরি কংগ্রেসে তুলে ধরব।