ঢাকাMonday , 30 March 2026
  1. Home
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আইন বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জনপ্রিয় সংবাদ
  10. জাতীয়
  11. বিনোদন
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জ্বালানি সংকটে দিশেহারা ভাড়ায় চালিত বাইকচালকরা

Kobita afroz
March 30, 2026 10:25 am
Link Copied!

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা দিয়েছে তেলের তীব্র সংকট ও উপচে পড়া ভিড়। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর অবস্থান। এখন থেকে বৈধ কাগজপত্র না থাকলে কোনো মোটরসাইকেল চালককে তেল দেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনের এই নতুন কৌশলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালানো হাজারো চালক।
​পাম্পে পাম্পে দীর্ঘ সারি, নতুন নিয়মে ক্ষোভ।

​সরেজমিনে সুনামগঞ্জের সিনথিয়া,বলাকা,ছফেদা পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন শত শত বাইকার। এর মধ্যে প্রশাসনের উপস্থিতিতে চলছে তেলের সরবরাহ। যাদের সাথে ড্রাইভিং লাইসেন্স বা গাড়ির হালনাগাদ কাগজপত্র নেই, তাদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে কাগজ পত্র বৈধ দেখে তেল সরবরাহ করলে পেট্রোল পাম্প গুলোতে ঝামেলা কমে যাবে এবং তাদের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এদিকে খোলা বাজারেও মিলছে না তেল, ফলে সাধারণ চালকদের পাশাপাশি বিপাকে পড়েছেন ‘রাইড শেয়ারিং’ করে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষগুলো।
​জীবিকার চাপে পিষ্ট প্রান্তিক চালক
​বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে অনেক যুবক কিস্তি বা ঋণ নিয়ে মোটরসাইকেল কিনেছিলেন। রাইড শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে বা ভাড়ায় যাত্রী বহন করে তাদের দিন ভালোই কাটছিল। কিন্তু জ্বালানি সংকট এবং প্রশাসনের নতুন কড়াকড়ি তাদের জীবিকার ওপর বড় আঘাত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
​একজন ভুক্তভোগী চালক আক্ষেপ করে বলেন,আমরা গরিব মানুষ, অভাবের তাড়নায় রাস্তায় নামছি। কিস্তির টাকা শোধ করতেই হিমশিম খাই, তার ওপর এখন যদি কাগজপত্রের অজুহাতে তেল না পাই, তবে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। আমাদের পেটে লাথ মারলে আমরা বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে কই যামু? প্রশাসন যদি শুধু কাগজের কথা ভাবে, আমাদের পেটের কথা কে ভাববে?”
​প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
​জ্বালানি সংকট ও প্রশাসনের এই কড়াকড়ি পরিস্থিতির কারণে অনেকেই এখন বেকার হওয়ার উপক্রম। চালকদের দাবি, এই সংকটময় মুহূর্তে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনা করে যেন নিয়ম শিথিল করা হয়। তারা মনে করেন, কাগজপত্র যাচাইয়ের চেয়ে তেলের সুষম বণ্টন এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এখন বেশি জরুরি। ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, যেন প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপ থেকে তাদের অব্যাহতি দিয়ে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ করে দেওয়া হয়।
​সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত এই সংকটের সমাধান না হলে পরিবহন খাতের এই প্রান্তিক শ্রমিকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।