• ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ১১ সদস্য গ্রেপ্তার : অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত নভেম্বর ৮, ২০২৩, ১৮:০৪ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ১১ সদস্য গ্রেপ্তার : অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় কিশোর গ্যাং ‘ফল সোহেল গ্রুপ’ এর মূল হোতা সোহেল ওরফে ফল সোহেলসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি ও দুটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

 

বুধবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শফিউর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) রাতে মঠবাড়িয়া থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তাররা হলো- জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার চিত্রা পাতাকাটা গ্রামের মৃত. চানমিয়া মাঝির ছেলে সোহেল ওরফে ফল সোহেল (২৭), একই উপজেলার বহেরা তলা গ্রামের নূর আলম মাতুব্বরের ছেলে এনামুল হক রনি (২৮), দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের মো. কামাল সরদারের ছেলে হাসান সরদার (২৯), চিত্রা পাতাকাটা গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে আখতারুজ্জামান নিজাম (৩৪), মঠবাড়িয়া গ্রামের আ. হক হাওলাদারের ছেলে রিয়াজ (২১), বকসির ঘটিচোরা গ্রামের মজিদ খানের ছেলে বেল্লাল খান (৩৮), উত্তর মিঠাখালী গ্রামের ফুল মিয়া বেপারীর ছেলে লাবু বেপারী (২৪), জানখালী গ্রামের মৃত. তোতাম্বর আলী আকনের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য মো. বেলায়েত আকন (৫৫), মৃত আজিজুর রহমান গোলদারের ছেলে মো. রেদোয়ান গোলদার (৪২), পৌরসভার নূর মোহাম্মদের ছেলে মিলন (৩২)।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শফিউর রহমান জানান, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার পৌরসভার সামনের সড়কে ৬ নভেম্বর রাতে পুলিশ কিশোর গ্যাং নেতা সোহেল ওরফে ফল সোহেল কে মঠবাড়িয়া থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে। এ সময় কিশোর গ্যাং এর প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন সদস্য পুলিশের ওপর আক্রমণ ও হামলা চালিয়ে সোহেলকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এরপরই জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ দল মঠবাড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের মূল হোতা সোহেল ওরফে ফল সোহেলসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় সোহেলের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ৪ রাউন্ড গুলি এবং কিশোর গ্যাং সদস্য রেদয়োন হালদারের নিকট থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ৮ রাউন্ড গুলি ও দুটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শফিউর রহমান আরও জানান, গ্রেপ্তার সোহেল ওরফে ফল সোহেলের নামে মঠবাড়িয়া থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলায় সাধারণ মানুষের কাছে আতঙ্কের নাম হচ্ছে এই ‘ফল সোহেল গ্রুপ’। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া থানায় পৃথক ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোহেল ও ফল সোহেলের বিরুদ্ধে ডিবি ওসি হত্যা চেষ্টা মামলাসহ ১৮ মামলা রয়েছে। এই কিশোর গ্যাংসহ অন্য সব কিশোর গ্যাংদের রোধে জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।