• ২৪শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং কি ? What Software Engineering?

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১১, ২০২৩, ১৫:৪৫ অপরাহ্ণ
সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং কি ? What Software Engineering?
সাইফুল্লাহ সিরাজী :
 সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
Table of Contents
1. কি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং?
2. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য সেরা বিশ্ববিদ্যালয়
3. সফটওয়্যার প্রকৌশলী হতে কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে?
4. প্রোগ্রামিং ভাষা শিখুন
5. একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে কত বছর লাগে?
6. একজন কম্পিউটার সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের বেতন কত?
7. কোন আইটি কাজের চাহিদা রয়েছে?
কি বিষয় পড়তে হবে?
8. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এর পর চাকরির সুযোগ
সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং কি?
বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। যেখানে সব কাজেই রয়েছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। প্রযুক্তির উৎকর্ষসাধন ও ব্যাপক ব্যবহারের মূলে রয়েছে কম্পিউটার। নানাবিধ ব্যবহার, নিখুঁত কার্যক্ষমতা, দ্রুত গতি, অসীম তথ্যভাণ্ডার, সময় ও ব্যয় হ্রাস প্রভৃতি সুবিধার কারণে বর্তমানে প্রায় সব ধরনের কাজই কম্পিউটারনির্ভর হয়ে পড়েছে।
শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা, বিনোদন, যোগাযোগ প্রভৃতি খাতে আজ কম্পিউটার একটি অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ যে সব প্রোগ্রাম রয়েছে যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজসম্পন্ন হয় তাকে বলা হয় সফটওয়্যার।
সফটওয়্যার তৈরি হয় ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী তার কম্পিউটারে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইনস্টল করে থাকে। যারা সফটওয়্যার তৈরি করেন এবং এর ব্যবহারগত সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করেন তাদের বলা হয় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা নতুন নতুন ব্যবহার ক্ষেত্র, ব্যবহারে বৈচিত্র্য, বাজার চাহিদা, অধিকতর কার্যক্ষমতা ও আধুনিকতা প্রভৃতি মাথায় রেখে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সফটওয়্যার তৈরি করে থাকেন। এই কাজটিই করে থাকেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা। দিন দিন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সতুরাং বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেশা হচ্ছে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং।
আয়: সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং একটি সম্মানজনক বিশেষায়িত পেশা। তাই আয়ের সুযোগও এখানে অনেক। বিভিন্ন সফটওয়্যার ডেভেলপার কোম্পানিতে বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে নিয়মিত কাজ করলে গড়ে মাসিক পনের হাজার থেকে এক লাখ টাকা সম্মানী পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চুক্তিভিত্তিক কাজ বা নিজস্ব সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে আপনার কার্যক্ষমতা অনুযায়ী আনলিমিটেড আয়ের সুযোগ রয়েছে।
সফটওয়্যার স্থপতি.
ব্লকচেইন ইঞ্জিনিয়ার।
DevOps ইঞ্জিনিয়ার।
ক্লাউড আর্কিটেক্ট।
ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার।
কি কি বিষয় অবশ্যই পড়তে হয়?
বিচ্ছিন্ন গণিত।
ডেটা স্ট্রাকচার এবং অ্যালগরিটম।
তথ্যশালা.
সফ্টওয়্যার উন্নয়নের মৌলিক বিষয়।
কম্পিউটার বিজ্ঞান পরিচিতি.
অপারেটিং সিস্টেম।
প্রোগ্রামিং ভাষার ধারণা।
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং.
সফটওয়্যার আর্কিটেকচার এবং ডিজাইন।
সফ্টওয়্যার পরীক্ষা এবং মানের নিশ্চয়তা।
সিস্টেম বিশ্লেষণ.
পদার্থবিদ্যা।
ক্যালকুলাস
সম্ভাব্যতা ও পরিসংখ্যান.
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এর পর চাকরির সুযোগ
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর চাকরির সুযোগ হিসাবে দেশ বিদেশে অনেক আছে. দেশের মধ্যে বড় বড় IT কোম্পানি যেমন TCS ,IBM ,Accenture এ অনেক ভালো মানের চাকরি পাওয়া যায়। অনেক সময়